1. বাস্তব গ্যাস কাকে বলে? উঃ যে সকল গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে বয়েল ও চার্লসের সূত্র মেনে চলে না তাদেরকে বাস্তব গ্যাস বলে। 2. মোলার দ্রবণ কাকে বলে? উঃ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে দ্রবণের প্রতি লিটার আ(1dm3)একমাত্র দ্রবীভূত থাকে তাকে ঐ দ্রবণের মোলার দ্রবণ বলে। 3.আংশিক চাপ কাকে বলে? উঃ কোন গ্যাস মিশ্রণের কোন একটি উপাদান গ্যাস ওই তাপমাত্রায় মিশ্রণ এর সমস্ত আয়তন একক ভাবে দখল করে যে চাপ প্রয়োগ করে, তাই ঐউপাদানের আংশিক চাপ। 4. ব্যাপন কি বা কাকে বলে? উঃ উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোনো কঠিন ,তরল ও গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়। 5. সংকট তাপমাত্রা এর সংজ্ঞা দাও? উঃযে তাপমাত্রা বা তার নিচের যে কোন তাপমাত্রায় কোন গ্যাসের চাপ প্রয়োগ করলে তা তরলে পরিণত হয় সে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা কে ঐগ্যাসের সংকট তাপমাত্রা বলে। 6. এসিড বৃষ্টি কি? উঃ কিছু কিছু বৃষ্টির পানিতে সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড প্রভৃতি এসিড মিশ্রিত থাকে। এই ক্ষেত্রে পানির পিএইচ এর মান 3.5 থেকে 5.5 হয়ে থাকে। এরূপ বৃষ্টির পানিক...
1. হরমোগোনিয়া কি? উত্তর: প্রতিকূল অবস্থায় সূত্রাকার নীলাভ সবুজ শৈবালের ট্রাইকোম খণ্ডিত হয় সচল স্পোরেশন ডিক্স বা হেটারোসিস্ট তৈরি করে। এরূপ খন্ডিত প্রতিটি অংশকে হরমোগোনিয়াম বহুবচনে হরমোগোনিয়া বলে। 2. কোষ চক্র কি? উত্তর:কোষ সৃষ্টি, এর বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে বিভাজন এই তিনটি কাজ যে মাধ্যমে সম্পন্ন হয় তাকে বলা কোষ চক্র। 3. ইন্টারফেজ কাকে বলে? উত্তর: পরপর দুবার মাইটোসিস বিভাজন এর মধ্যবর্তী দশাকে ইন্টারফেজ বলে। 4. নিউক্লিওসাইড কি? উত্তর: এক অনু নাইট্রোজেন ঘটিত ক্ষারক ও এক অনু পেন্টোজ সুগার যুক্ত হয়ে গঠিত গ্লাইকোসাইড যৌগ কে বলা হয় নিউক্লিওসাইড। 5. গ্লাইকোলাইসিস কী? উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় এক অনু গ্লুকোজ বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় জারিত হয়ে দুই অনু পাইরুভিক এসিডে পরিণত হয় তাকে গ্লাইকোলাইসিস বলে। 6. হেটারোমরফিক জনুক্রম কি? উত্তর:Pteris এর স্পোরোফাইটিক জনু দীর্ঘ কিন্তু গ্যামেটোফাইটিক জনু বেশ সংক্ষিপ্ত। জনু দুটি আকার আকৃতিতেও স্বতন্ত্র ভিন্ন ভিন্ন। এ ধরনের জনুক্রম কে হেটারোমরফিক জনুক্রম বলা হয়। 7. কায়াজমা কি? উত্তর: মিয়োসিস কোষ বিভাজনের প্রোফেজ 1 এর প্যাকাইটি...
#কোরান_ও_বিজ্ঞানে_লোহা ১মিনিটে পড়েই ফেলুন, জ্ঞানও বাড়বে,ঈমানও বাড়বে ইনশাআল্লাহ। #লোহা একটি মৌলিক পদার্থ যার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ এবং রাসায়নিক সংকেত Fe। এটি এক প্রকারের ধাতু। ধাতুগুলির মধ্যে প্রাচুর্যের দিক থেকে প্রকৃতিতে অ্যালুমিনিয়ামের পর দ্বিতীয় স্থান লোহার। তবে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুর অংশটি লোহার তৈরী বিধায় সেটাকে হিসাবে আনা হলে পৃথিবীতে লোহার পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। তবে খাঁটি লোহা প্রকৃতিতে বিরল। আমরা অনেকেই মনেকরি অতি পরিচিত মৌল লোহার কোন বিশেষত্ব নেই। এটি পৃথিবীতেই অন্যান্য পদার্থের মত সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমাদের ধারনা সম্পূর্ণ ভুল। পৃথিবী তো দুরের কথা খুদ সৌরজগতের কোন স্থানে লোহার একটি অণুও সৃষ্টি হওয়া সম্ভব নয়। তাই লোহা পৃথিবীর অভ্যন্তরে সৃষ্টি হওয়া কোন পদার্থ নয় বরং এটি এসেছে পৃথিবীর বাইরে থেকে। সর্বপ্রথম ১৮৪৭ সালে বিজ্ঞানি জুল ও রামফোর্ড তাপ গতি বিদ্যার ১ম সূত্র(the 1st low of thermodynamics) প্রদান করেন। পরবর্তীতে এই সূত্রের উপর ভিত্তি করে অণুর গঠন সংক্রান্ত সূত্র, Enthalpy of formation বা গঠন এনথালপি প্রদান করা হয়। যার প্রাসঙ্গিক মূল কথাটি হল- কোন পদার্থকে তার গঠন...
Comments